বাংলাদেশ থেকে করিয়া যাওয়ার সহজ উপায়
বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। পড়াশোনা করার জন্য বা কাজের মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ উন্নত করার লক্ষ্যে অনেকেই করিযা যেতে চাই। কিন্তু সঠিক তথ্য না থাকায় অনেকেই বিভ্রান্তির মুখোমুখি হয়।
বাংলাদেশ থেকে কয়েকটি উপায়ে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়া যায়। এরমধ্যে অন্যতম হলো স্টুডেন্ট ভিসা, কাজের ভিসা, বিয়ে বা ফ্যামিলি ভিসা এগুলো অন্যতম যাওয়ার উপায়। ভাষা দক্ষতার উপর কোরিয়া যাওয়ার সুযোগ থাকে।
সূচিপত্র: বাংলাদেশ থেকে কোরিয়া যাওয়ার সহজ উপায়
- ভূমিকা বাংলাদেশ থেকে করিয়া যাওয়া সহজ উপায়
- কেন দক্ষিণ কোরিয়াই পড়াশোনা করবেন
- কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করবেন
- স্কলারশিপ পাওয়ার উপায়
- ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া
- মোট খরচের হিসাব
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট তালিকা
- ভর্তির যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয়তা
- কোরিয়ান ভাষা এর গুরুত্ব
- শেষ কথা
ভূমিকা বাংলাদেশ থেকে কোরিয়া যাওয়ার সহজ উপায়
বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়া সবচেয়ে সহজ ও সাশ্রয় উপায় হল সরকারি
মাধ্যম বয়েসেল এর মাধ্যমে যাওয়া। এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো-সরকারি মাধ্যমে
ইপিএস বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড সার্ভিসেস লিমিটেড এর মাধ্যমে
এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম বা ইপিএস প্রোগ্রামের আওতায় সরকারিভাবে দক্ষিণ
কোরিয়া যাওয়া যায় এটি সবচেয়ে নিরাপদ এবং কম খরচের মাধ্যমে
প্রয়োজনীয় যোগ্যতা: শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম এসএসসি বা সম্মানের পাস হতে হবে।
বয়স ১৮ থেকে ৩৯ বছরের মধ্যে হতে হবে। কোরিয়ান ভাষা ভালোভাবে জানতে হবে এবং
পরীক্ষায় পাস করতে হবে। এইগুলো জানা থাকলে আবেদন করার জন্য সহজ হয়। বোয়েসেলের
ওয়েবসাইট অনলাইনে নিবেদন করতে হয়। নিবন্ধনের পর লটারির মাধ্যমে প্রার্থী
নির্বাচন করা হয়। লটারিতে নির্বাচিত ওদের পরিয়ান ভাষা পারদর্শিতা পরীক্ষায়
অংশিত হয়।
পরীক্ষায় ভালোভাবে উত্তীর্ণ হলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং অন্যান্য দাপ্তরিক কাজ
সম্পন্ন করে ভিসা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হয়। সরকারিভাবে যাওয়ার খরচ প্রায় এক
থেকে দুই লক্ষ টাকার মতো হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে বা এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার
চেয়ে এটি অনেক সাশ্রয় হয়ে থাকে। আপনি যদি শুধু ভ্রমণের জন্য যেতে চান তবে সি
থ্রি ক্যাটাগরি টুরিস্ট ভিসার আবেদন করতে পারেন। এর জন্য ছয় মাসের ব্যাংক
স্টেটমেন্ট প্রয়োজন।
কেন দক্ষিণ কোরিয়ার পড়াশোনা করবেন
দক্ষিণ কোরিয়ায় পড়াশোনা করার মূল উদ্দেশ্য ভবিষ্যতে ভালো কিছু করা। নিজের
উন্নত জীবন নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ থেকে কোরিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্য নিজের জীবন যাপন
উন্নতমানের করা। দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য
উচ্চশিক্ষার একটি অন্যতম প্রধান মন্তব্য। এখানে রয়েছে উচ্চমানের শিক্ষা ব্যবস্থা
ছাত্রই খরচ স্কলারশিপের সুযোগ। দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উচ্চশিক্ষার
একটি অন্যতম প্রতীক।
সাবস্ক্রাই খরচে পশ্চিমাদেশ গুলোর তুলনায় দক্ষিণ কোরিয়ায় টিউশন ফি এবং
জীবনযাত্রার বাইরে অনেক কম হওয়ায় এখানে পড়াশোনা করা অনেক সহজ হয়ে ওঠে।
এছাড়াও রয়েছে স্কলার্শিপ এর সুযোগ। কোরিয়ান সরকার এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রচুর স্কলারশিপ প্রদান করে যা পড়াশোনা খরচ
অনেকটাই কমিয়ে দেয় এবং জীবন যাত্রার মান সহজ করে দেয়।
পড়াশোনার শেষ করে কোরিয়াতে কাজের সুযোগ এবং স্কিল ওয়ার্কারদের জন্য
স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ দেশ এবং
এখানে প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক জীবন উপভোগ করা যায়। দেশটি অনেকটাই প্রযুক্তির
উপর নির্ভর করে জীবনযাত্রার মান এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কোরিয়ান ভাষার জানা থাকলে
অনেক ক্ষেত্রে পড়াশোনা ও চাকরির পাওয়াসহ যে ওঠে এই জন্য ভাষা জানাটা অত্যন্ত
জরুরী।
কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করবেন
বাংলাদেশ থেকে করিয়া যাওয়া সহজ উপায় এর মধ্যে স্টুডেন্ট ভিসায় দেওয়াটা
অনেকটাই সহজ। আপনি যদি পড়ালেখার জন্য পড়িয়ে যেতে চান এর জন্য প্রয়োজন ভাষার
দক্ষতা, বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, এসএসসি বা তার সম্মান পাশের যোগ্যতা থাকা
প্রয়োজন এছাড়া অনেক নিয়ম কানুন রয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসায় করিয়া গেলে যাওয়াটা
অনেক সহজ হয়ে যায় তারপরেও কিছু নিয়মকানুনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষার জন্য সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করা একটি
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। আপনার পছন্দ, যোগ্যতা এবং ভবিষ্যতে লক্ষ্য অনুযায়ী
বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের জন্য অনেকগুলো ধাপ রয়েছে। এগুলো হলো কোর্স বা বিষয়
নির্বাচন, ভাষার দক্ষতা, একাডেমিক রেকর্ড, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা, অবস্থান,
রেংকিং ও সুনাম অবস্থান, বেসরকারি বনাম পাবলিক, আর্থিক সক্ষমতা, স্কলারশিপ
ইত্যাদি।
প্রথমে ঠিক করুন আপনি কি পড়তে চান। করিয়া প্রযুক্তি, ব্যবসা এবং কলা শাখায়
উন্নতি। ইংরেজি মাধ্যমের প্রোগ্রামের জন্য আইইএলটিএস সাধারণত ছয় প্লাস অথবা
কোরিয়ান মাধ্যমের জন্য টপিক লেভেল থ্রী বা তার বেশি স্কোর খারাপ প্রয়োজন। সিউল
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউনেসেই ইউনিভার্সিটি, উচ্চ মানের শিক্ষার জন্য পরিচিত।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো টিউশন ফি সাধারণত বেসরকারি তুলনায় কম হয়ে
থাকে।
ডিজিটাল জোন আইটি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url